Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ নভেম্বর ২০১৯

চেয়ারপার্সন

মোঃ মফিজুল ইসলাম
চেয়ারপার্সন

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন 

 

 

সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত

 

            জনাব মোঃ মফিজুল ইসলাম ২৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপার্সন হিসেবে যোগদান করেন। গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব পদ হতে অবসরোত্তর ছুটিতে গমন করেন।

 

            তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ডের সাতারকুলে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বর্ণাঢ্য শিক্ষা জীবনের অধিকারী জনাব মোঃ মফিজুল ইসলাম বাড্ডা আলাতুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচ এস সি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

 

            তিনি ১৯৮৪ সালের নিয়মিত বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২১ জানুয়ারী ১৯৮৬ বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। তিনি সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করেন। এছাড়া সচিবালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব হিসেবে যথাক্রমে বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সমবায় বিভাগে কাজ করেন। তিনি রেজিষ্ট্রার ও মহাপরিচালক হিসেবে সমবায় অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন। জনাব মোঃ মফিজুল ইসলাম দেশে এবং বিদেশে স্বল্পকালীন এবং দীর্ঘকালীন বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

 

            জনাব মোঃ মফিজুল ইসলাম ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষন ও মূল্যায়ন বিভাগ (IMED) এর ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৩ই আগস্ট ২০১৭ উক্ত বিভাগের সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ই-গভর্নেস, আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং উদ্ভাবনী মনোবৃত্তি, শুদ্ধাচার অনুশীলন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ প্রদানে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি সকল সিনিয়র সচিব ও সচিবদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ৪ জুলাই ২০১৮ জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার গ্রহণ করেন।

 

            ২০১৬-২০১৭ সালে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাঝে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (APA) বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বোচ্চ স্কোর লাভ করে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরষ্কার গ্রহণ করেন।

 

            তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। 


Share with :

Facebook Facebook